আমার বিয়ে কবে হবে?

আমার বিয়ে কবে হবে?-প্রশ্নটি শুনতে খুব হালকা বা সাধারণ মনে হলেও যারা বিয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের জন্য মর্মটা বেশ গভীর। তাদের মনের সুপ্ত প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে এই আর্টিকেলে। 

আমার-বিয়ে-কবে-হবে

বিয়ে নিয়ে প্রত্যাশা শুরু হলেই, হোক সে ছেলে কিম্বা মেয়ে, নানা চিন্তা সবার মাথায় ভাবনা হয়ে সারাক্ষণ ভাবায়। তা’ হলো কবে  পাবো জীবন সঙ্গী? কবে হবে সুখের সংসার? এই আর্টিকেল পুরোটা পড়ুন। খুঁজে নিন মনের সবচেয়ে অভিলাষিত জিজ্ঞাসার সমাধান। 

পেজ সূচীপত্রঃ আমার বিয়ে কবে হবে

আমার বিয়ে কবে হবে

আপনার বিয়ে কবে হবে-্বএটি জানতে চাচ্ছেন? হ্যাঁ, সেটি নিয়েই আলোচনা করতে চলেছি। আসলে বিয়ে কোনো ছেলে বা মেয়ের একক ইচ্ছার রূপায়ন নয়। বিয়ে বাস্তবায়িত হয় একদিকে যেমন ছেলে-মেয়ে দু’জনার যৌথ সম্মতির মাধ্যমে, তেমনি পারিবারিক-সামাজিক স্বীকৃতির মাধ্যমেও তা’ সাবলিল ও সুখকর হয়ে ওঠে। 

তবে শুধু অনুষ্ঠান বা সামাজিক স্বীকৃতিই বিয়েকে সাফল্যমন্ডিত করে এ’ কথা সঠিক নয়। দীর্ঘ জীবন যাত্রায় বিয়ে এমন এক  বন্ধন যা’ দু’জনকে একসাথে বাঁচতে সাহায্য করে, একসাথে থাকতে সাহায্য করে, একসাথে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে সাহায্য করে, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সঠিক পথে চলতে শেখায়। ভালো-মন্দকে ভাগ করে নিতে শেখায়। 

আরও পড়ুনঃ জন্মতারিখ ও বিবাহের শুভদিনের সম্পর্ক

তাই বিয়ে কবে হবে এ’ প্রশ্নের উত্তর বিয়ের মাধ্যমে যা প্রাপ্তি তা পেতে কতটা মানসিক, পারিবারিক, আর্থিক  প্রস্তুতি রয়েছে তার উপর নির্ভর করে। হয়ত কখনো কখনো, কারো কারো জন্যে এই প্রশ্নের উত্তর বেশ কঠিন, আবার একসময় খুব সহজ হয়ে যায়। কারণ এখানে শুধু একটি তারিখ জানতে চাওয়া নেই; আছে একটি মানুষ তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কতটা প্রস্তুত, কতটা আশা রাখে, কতটা অপেক্ষা করে-তার সমস্ত অনুভূতির যোগফল।

আপনি মানসিকভাবে, আর্থিকভাবে, আবেগগতভাবে কতটা প্রস্তুত তার উপর নির্ভর করছে আপনার বিয়ে তাড়াতাড়ি করা উচিৎ, না কি দেরীতে। তাই পরিকল্পনা, প্রস্তুতি থাকা ভালো, তবে দুশ্চিন্তা নয়। আপপনাকে নতুন অধ্যায় শুরুর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে এমন তড়িঘড়ি করা ঠিক হবে না যাতে ভবিষ্যতের প্রত্যাশা পূরণ না-হয়ে তা’ আরও বোঝা হয়ে যায়।

বিয়ে কি আল্লাহর নিয়ামত

বিয়ে আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত। বিয়ে করলে আল্লাহ তায়ালা খুশী হন। বিয়ে সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সুরা-রুম, আয়াত-২১ এ বর্ণিত হয়েছে, ‘আর এক নিদর্শনা এই যে, তিনি তোমাদের মধ্য হতে তোমাদের সংগীনিদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মাঝে পারস্পারিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।’ 

সুরা-নুর, আয়াত-৩২-৩৩ এ রয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিয়েহীন তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস-দাসীগণ যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছলতা দান করবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। যারা বিয়ে করতে সমর্থ নয় তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন।’

উপরোক্ত আয়াতসমূহ হতে এ’ কথা স্পষ্ট যে, আল্লাহ তায়ালার নিজ রহমতে অবশ্যই যথাসময়ে আপনার বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। আল্লাহ অসচ্ছ্বলকে সচ্ছল করে দেবেন। আপনি শুধু আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচেষ্টা চালিয়ে যান, পরিশ্রম করে যান। সময় হলেই আপনার পরিকল্পনা সফলতায় পর্যবসিত হবে। অর্থাৎ আমার বিয়ে কবে হবে-এ’ প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পেয়ে যাবেন।

বিয়ের উপযুক্ত বয়স

আমার বিয়ে করে হবে-এ’ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে বয়সের বিবেচনা করতেই হবে। উপযুক্ত বয়স না-হলে কেউ আইনগতভাবে বা শারীরিকভাবে বিয়ের উপযুক্ত বিবেচিত হয় না। আপনি যদি শারীরিক পূর্ণতা অর্জন না-করেন,  আইনগত সীমা পার না-করেন কিভাবে বিয়ে করার জন্য আগ্রহী হবেন!

বাংলাদশের আইন অনুযায়ী ছেলেদের জন্য বিয়ের ন্যুনতম বয়স ২১ বছর, মেয়েদের জন্য এই বযস ১৮ বছর। এর নীচে বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ হিসাবে বিবেচিত হবে। যা আইনগতভাবে অপরাধের সামিল। 

আরো পড়ুনঃ বিবাহের দিন নির্ধারণে গ্রহের প্রভাব

তাই বিয়ের জন্য আগ্রহী হলে আপনাকে আগে ন্যুনতম বিয়ের বয়স পার করতে হবে। তবে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের পরে একজন সংগীর ভরণ-পোষণ বহন করতে হয়। তাই ছেলেদের শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সংসার পরিচালনার মত আর্থিক সক্ষমতা ও থাকতে হবে। জীবন সম্পর্কে বৈষয়িক জ্ঞান থাকতে হবে। আবেগ নয়, বাস্তবতাবাদী হতে হবে। এগুলো হতে হলে ২১ বছরেই নয়, বরং আরও ৫-৬ বছর হলে ভালো। অর্থাৎ কমপক্ষে ২৫-২৬ বছর হলে ভালো। 

বিয়ের পরে সন্তান জন্মদান ও লালন-পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মেয়েদের এ’ ক্ষেত্রে শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। তাদের ঘরকন্নাও সামলাতে হয় অর্থাৎ গৃহস্থালী, সংসার, সংসার ধর্ম অর্থাৎ পারিবারিক সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি কাজ করতে হয়। তাই তাদের সে রকম পরিপক্কতা অর্জন করে বিয়েতে আগ্রহী হওয়া প্রয়োজন। সে হিসেবে তাদেরকে ১৮ বছরের ১/২ বছর পরে উপযুক্ত সময়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসা প্রয়োজন। 

বিয়ের বয়সঃ কেস স্টাডি


আমরা বিয়ের আ্ইনগত উপযুক্ত বয়স বর্তমানে কত তা’ জেনেছি। কিন্তু বিয়ের বয়সের নিম্নসীমা মানতে বাধ্য করা গেলেও উর্ধ্বসীমার কোনো সীমা নেই। কারণ ছেলে হোক, অথবা মেয়ে বিয়ের বয়স কোনো নির্দিষ্ট সূত্র বা আইন মেনে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।বাস্তবে বিয়ে নির্ভর করে যিনি বিয়ে করবেন তার আগ্রহ, পারিবারিক আগ্রহ, আর্থিক স্বাবলম্বীতা ইত্যাদি অনেক বিষয়ের উপর। নীচে কয়েকটি বাস্তব বিয়ের উদাহরণ কেস স্টাডি আকারে দেয়া হলো। সমাজের এইরূপ বাস্তব ঘটনা আপনাকে বিয়ের সময় কবে-এর উত্তর পেতে সাহায্য করবে বলে বিশ্বাস করা যায়।

কেস স্টাডি-১ঃ মেয়েটির নাম সুলেখা (আসল নাম নয়)। বয়স ১৪ বছর। নবম শ্রেণীর ছাত্রী। সুলেখার বাবা কুলি। একটি রেল স্টেশনে কুলির কাজ করে। ছাত্রী হিসেবে সুলেখা বেশ মেধাবী। সুলেখার মাঝে বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন দেখে ও দারিদ্র্যতার জন্য তার বাবা-মা তাকে বিয়ে দেয়ার চিন্তভাবনা করে। শুরু হয় তার জন্য বিয়ের পাত্র খোঁজা। সুলেখার বিয়েও ঠিক হয়ে যায়। কিন্তূ সুলেখার এই বিয়েতে মত ছিলো না।তাই উপজেলা প্রশাসনকে সে গোপনে জানায়। প্রশাসনের সহযোগিতায় বাল্যবিয়ে হতে সে রক্ষা পায়। পড়াশুনায় মনোযোগী হয সে। পড়াশুনা শেষ করে ভালো চাকুরীর সুযোগ পায়। পারিবারিক দৈন্য-দশা পার করে ২৮ বছর বয়সে বাবা-মায়ের অনুরোধ এবার সে বিয়েতে রাজী হয়।

কেস স্টাডি-২ঃ জুয়েল। বাড়ীর বড় ছেলে। আরও ছোটো একটি ভাই ও একটি বোন রয়েছে তার। বাবা মুদি দোকানদার। বাবা তাকে অনেক কষ্ট করে পড়িয়েছেন। কিন্তু পড়াশুনা শেষ করে দীর্ঘদিন তাকে বেকার থাকতে হয়েছে। মায়ের চোখের জল মোছাতে ব্যর্থ হয়েছে সে। কোনো রকমেেএকটি ছোটো চাকরী জোগাড় করে ছোটো ভাই-বোনদের পড়াশুনা চালু রেখেছে। পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কখন বয়স ৩০ পেরিয়ে গিয়েছে। পরিবারের দায়িত্ব, আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন এসব চিন্তা থেকে্ই তার যথাসময়ে বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি। অবশেষে ৩৩ বছরে সে রাজী হয় বিয়েতে।

কেস স্টাডি-৩ঃ সোহেল আক্তার, ডাক নাম পাপ্পু। ধনী বাবার একমাত্র ছেলে।পড়াশুনাতেও মেধাবী। প্রকৌশল ডিগ্রী নিয়ে এমএস করতে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। যাবার আগে বাবা চেয়েছিলেন বিয়ে দিতে । পাপ্পু রাজী হয়নি। অস্ট্রেণিয়াতে সে এম এস, পিএইচডি শেষ করে তবেই ফেরে দেশে। ততদিনে বয়স ৩০ ছুঁয়েছে। দেশে ফিরে এবার তাকে বিয়েতে বসতে হয়।

এসব কেস স্টাডি থেকে বোঝা যায় বিয়ে আসলে শুধু বয়স, শুধু পারিবারিক চাহিদা, শুধু আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে না।জীবনের সাথে জড়ানো আরো অনেক ফ্যাক্টর বিয়ে সংঘটনে কাজ করে। সমাজের আরো বাস্তব উদাহরণ পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায়।

জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-বীজ বোনা

আমাদের জীবন এক চলমান গাড়ী। শিশুকালে যার যাত্রা শুরু। ক্রমান্বয়ে সে চলতে থাকে কৈশোর, যৌবনের দিকে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত পার হয়ে। তখন থেকে মনের বন্ধ জানালা অল্প অল্প করে খুলতে শুরু করে। নতুন ভোরের আলো আপনার মনের পাতায় রেখাপাত করে। নতুন সম্ভাবনার খোঁজে নতুন করে শুরু হয় পরিকল্পনা সাজানো। নতুন কাজের উদ্যোগ। কল্পনার রঙীন ভবিষ্যত গড়ার প্রস্তুতি। 

ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে কখনও আপনার মনে অনুভূত হতে পারে একাকীত্ব। মনে হতে পারে অবসাদ মুছিয়ে দেয়ার মত কারোর অভাব। অনেক বন্ধুর মাঝে বিশেষ বন্ধুর খোঁজ তখন থেকেই অগোচরে। মনের কোনে কখন যেন বীজ বোনা হয় সেই অমিমাংসিত প্রশ্নের-কবে আসবে সঙ্গী? কবে হবে বিয়ে?

আপনার-বিয়ে-কবে-হবে

জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-অংকুরিত স্বপ্ন

আমার বিয়ে কবে হবে-এই প্রশ্ন নিয়েই জীবন চলতে থাকে জীবনের গতিতে। জীবনের অনুকূল মৌসুমে স্বপ্নের যে বীজ  বপন করা হয় ক্রমান্বয়ে তা’ অংকুরিত হয়। পড়াশোনা, কাজ, পারিবারিক দায়িত্ব পালন চলতে থাকে। বাড়তে থাকে দায়িত্ববোধ। জীবনকে গড়ে তোলার যে ব্রত পালিত হয় তার মাঝে অংকুরিত স্বপ্ন অবসরে দোলা দিতে থাকে।  

জীবনের এই ধাপে কোনো এক জন নয়, অনেক সুনয়নার চোখের কোনের মৃদু হাসি মনকে আলোড়িত করে। যাকে দেখা যায় বা কথা হয়, তাকেই যেন ভালো লাগে। স্বপ্নের গাছে সবুজ পাতা বাড়তে থাকে। পাতার ফাঁকে স্বপ্নের পাখীরা বাসা বাঁধতে চায়। কিন্তু তেমন শক্ত ডাল খুঁজে না-পাওয়ায় তারা আসে আবার ফিরে যায়। অসময়ের চেষ্টা মিলিয়ে যায় অসময়ের অকাল গহ্বরে। সময়ের সাথে সাথে কে বা কারা এসেছিল সে কথা মন ভুলে যায়। 

আরো পড়ুৃনঃ বিবাহের দিন নির্ধারণে নক্ষত্রের প্রভাব

জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-স্বপ্নের মুকুল

আমার বিয়ে কবে হবে-এই প্রশ্ন কিন্তু ঘনীভূত হয় দিন যত এগোয়। অংকুরিত স্বপ্ন মুকুলিত হয় দিনে দিনে। স্বপ্ন রঙ-রূপ-গন্ধে প্রস্ফুটিত হয় বটে। কিন্তু তা জীবনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পথে যথেষ্ট হয়ে ওঠে না।জীবনের  সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো মানসিক বা আর্থিক অবস্থা  তখনও বোধহয় অসেনি। তাই স্বপ্ন ধরতে ইচ্ছে হয়, আবার কখনো বিয়ে নিয়ে ভয়ও হয়।  এ দুইয়ের মাঝের পথটাই সবচেয়ে বড় যাত্রা—আর সেই যাত্রাকে বুঝলে নিজের উত্তরও পরিষ্কার হয়ে যায়।

জীবনের এই পর্যায়ে রঙীন পৃথিবীর আলো লাগে চোখে। সেই সাথে মনে ছায়া পড়ে প্রিয় কত মানুয়ের।মনে হয় স্বপ্েনর রঙে ছবি আঁকি কাজল কালো চোখে। কিন্তু পথ দুটো। এক হলো স্বপ্নকে ধরার ইচ্ছে, দুই বাস্তবতার কষাঘাত। এই দুই যখন মিলিত হয় তখন আপনার বিয়ে কবে হবে সেই প্রশ্নের মিমাংসিত উত্তর পাওয়া যায়। তাহলে বাস্তবতার  কাষাঘাত কিভাবে আসে বা তার মিমাংসার সময় কখন আসে সে বিষয়টি একটু জেনে নেয়া যাক।

জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-সময় কখন

প্রকৃতির আনুকুল্য প্রয়োজন প্রস্ফুটিত মুকুলকে কাঙ্খিত ফলে রূপান্তরের জন্য। কখনও কখনও আনুকুল্য সৃষ্টির জন্য ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা নিয়োজিত করতে হয়। সেখানেই সাফল্যের গল্প সৃষ্টি হয়। আপনাকেও তাই সময়ের সাথে এমন প্রচেষ্টা করতে হবে যাতে সাফল্য ধরা দেয় যথাসময়ে। তবে সময় কখন সেটি বোঝা কিন্তু একটু কঠিন। সেখানে বয়সে পরিণত হওয়ার চেয়ে মানসিকভাবে ও আর্থিকভাবে পরিণত হওয়া অত্যন্ত জরুরী। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন একান্তে। আপনি কি আবেগ সম্বরণ করতে পারেন? আপনি কি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেন? আপনি কি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ?  আপনি কি দায়িত্ব গ্রহন করতে সক্ষম? এমন বিভিন্ন প্রস্তুতি আপনাকে গ্রহন করতে হবে । কী কী প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে তা’ নীচে দেয়া হলোঃ

ব্যক্তিগত ও মানসিক প্রস্তুতিঃ বিয়ে জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। তাই আপনাকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল হতে হবে। শারিরীক ও মানসিকভাবে সুস্থতার অভ্যাস করতে হবে।ঝগড়া করা, তর্ক করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা পরিহার করতে হবে।মিলেমিশে না-চলতে পারার স্বভাব বদলাতে হবে।নিজের ভাবনাই চূড়ান্ত-এমন ভাবনা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। বিয়ের পরে বিশেষ করে ছেলেদের ক্ষেত্রে বাবা-মা, ভাই-বোন এদের সাথে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হতে পারে। বিয়ের পর মা ভাবেন-ছেলে পর হয়ে গেল। ভা্ই-বোন ভাবেন-ভা্ই বিয়ে করার পর আমাদের খোঁজ নিচ্ছে না। এ’ ধরণের অভিযোগ মোকাবেলা করার মানসিক সাহস সৃষ্টি করতে হবে। জীবনের নতুন সঙ্গী ও তাদের আত্মীয়-স্বজন নিয়ে পথচলার দৃঢ়তা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। শ্বশুরবাড়ীর সদস্যদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ও শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।

ধর্মীয় ও সামাজিক প্রস্তুতিঃ বিয়ে করার পূর্বে আপনাকে ধর্মীয় রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। সকল ধর্মেই জীবন সঙ্গীর প্রতি ধর্মীয় মূল্যবোধ অনুযায়ী আচরণ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও সম্মান-এর প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আপনাকে অবশ্যই সে বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা গ্রহন ও তা প্রতিপালনের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। তাছাড়া পারিবারিক সদস্যদের যত্ন নেয়া, উপযুক্ত সম্মান বা স্নেহ করা, আত্মীয়-স্বজনদের আপ্যায়ন করা ইত্যাদি বিষয়ে বাস্তব ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক।

আর্থিক প্রস্তুতিঃ বিয়ের জন্য যেমন টাকার প্রয়োজন, তেমনি বিযের পরেও টাকার প্রয়োজন অনিবার্য। তাই বিয়ের জন্য দিনে দিনে কিছু টাকা সঞ্চয় করতে হবে। যাতে বিয়েতে বা বিয়ের পরের সময়টােতে আর্থিক অনটন সৃষ্টি না-হয়। আপনার আয়ের উৎস ও সে অনুযায়ী ব্যয়ের পরিকল্পনা করার সক্ষমতা থাকতে হবে। কারণ আপনাকে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনার আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে।

বিয়েতে কতটা বাধা-নিজেই মূল্যায়ন করুন

আপনি ভাবছেন, বিয়ের সকল যোগ্যতা আপনি অর্জন করেছেন।যোগ্যতা বলতে উপযুক্ত বয়স, বাবা-মার আগ্রহ, আর্থিক সংগতি ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে। তাহলে বিয়েতে বাধা কতটা? এ’ বিষয়ে নিজেকে মূল্যায়ন করতে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তরে আপনার অবস্থান বা মতামত দিয়ে মোট প্রাপ্ত নম্বর বিশ্লেষণ করুন। ‘ক’ এর উত্তরের জন্য থাকছে ১ নম্বর, ‘থ’ এর জন্য রয়েছে ২ নম্বর, ‘গ’ এর জন্য রয়েছে ৩ নম্বর ও ‘ঘ’ এর জন্য রয়েছে ৪ নম্বর।

১। আপনার কাছে ভালোবাসার অর্থ কি?
ক) দুই জীবনের গল্পকে এক গল্পে রূপায়ন
খ) ভালোবাসা দিবসের উপহার প্রদানের মত কাউকে পাওয়া
গ) শুধুই রোমান্টিসিজম
ঘ) সুচারু অভিনয়, সাথে ন্যাকামি

২। আপনি বিয়ে বলতে বোঝেন-
ক) সুখে-দুখে একে-অপরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি
খ) শুধু্ই জীবনের প্রয়োজন
গ) আবেগে বসবাস
ঘ) অযথা ঝামেলা

৩। নতুন বা অপরিচিত কারো সাথে থাকতে আপনি কেমন বোধ করেন?
ক) মিলেমিশে থাকতে অসুবিধা হয় না
খ) কষ্ট হলেও মানিয়ে চলেন
গ) নিজেকে গুটিয়ে রাখেন
ঘ) বিরক্ত হন

৪। কারো মতামতে দ্বিমত পোষণ করলে আপনি কী করেন?
ক) প্রথমে মেনে নেন, পরে যৌক্তিকতা বোঝানোর চেষ্টা করেন
খ) কেনো মেনে নিতে হবে বলে ঝগড়া করেন
গ) মেনে নিতে বাধ্য হয়ে পরাজিত বোধ করেন এবং এড়িয়ে চলেন
ঘ) মানবেন না বলে স্রেফ জানিয়ে দেন

৫। সুখের সংসার বলতে আপনার দৃষ্টিকোণ কেমন?
ক) মূল উপাদান হবে বিশ্বাস-শ্রদ্ধা-ভালোবাসা
খ) অর্থ-ই সকল সুখের মূল কথা
গ) সমস্যা দেখা দিলে এড়িয়ে গিয়ে চুপ থাকা
ঘ) একসাথে সময় পার করা

আরো পড়ুনঃ জন্ম তারিখ হতে বিবাহের দিন নির্ধারণের মৌলিক দিকসমূহ

৬। পারিবারিক জীবনে আর্থিক অংশীদারিত্বে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি ?
ক) সম্মিলিত অবদান রাখা
খ) যার আয় বেশি তার বেশি অবদান রাখা
গ) সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী অবদান রাখা
ঘ) যার প্রয়োজন, তার খরচ

৭। কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আপনি -
ক) সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেন এবং সবার জন্য যেটা ভালো সেটা করেন
খ) আপনার পছন্দের লোকের মতামত প্রাধান্য দিয়ে গ্রহন করেন
গ) কারো মতামত গ্রহনের প্রয়োজন মনে করেন না, নিজেই সিদ্ধান্ত নেন
ঘ) যেভাবে চলছে সেভাবে চলুক বলে চুপ থাকেন

৮। সাংসারিক কাজ সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
ক) দুজন মিলে সকল কাজ সম্পাদন করা
থ) নিজে না করে কাজের লোকের মাধ্যমে সম্পাদন করে নিলেই হলো 
গ) আমি কেন করব এগুলো তার কাজ
ঘ) আমার পরিবারে এসব কাজ নিজেরা করে না, তাই আমিও করবো না

৯। আপনার জীবনের আনন্দঘন বা অবসর মুহূর্তে কাকে সঙ্গী হিসেবে পেতে চান ?
ক) জীবন সঙ্গী
খ) বন্ধুবান্ধব
গ) আত্মীয়-স্বজন
ঘ) একা থাকতে চান

১০। আপনি শ্বশুরবাড়ি কে কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
ক) নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা যেতে পারে তবে ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে
খ) নিজের বাড়ির সকল সিদ্ধান্তের জন্য তাদের সাথে আলোচনা করা উচিত
গ) নিজের বাড়ির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ-আগে সেখানে যেতে হবে
ঘ) মা-বাবা মনক্ষুণ্ণ হতে পারে তাই যোগাযোগ রক্ষা করা উচিত নয়

১১। বার্ধক্যে জীবনসঙ্গী নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
ক) দুজনে আলোচনা করে যে কোন মূল্যে একসাথে থাকতে চাই
খ) নিজের প্রয়োজনে তার সেবা পেতে চাই
গ) শখগুলো নিজের মত করে মেটাতে চা্ই
ঘ) কোনো অর্জনকে নিজের করে রাখতে চা্ই

প্রশ্নের উত্তর বিশ্লেষণে প্রাপ্ত নম্বর যদি ২৪ এর কম হয় তবে বলা যায় আপনার বিয়ের প্রস্তুতিতে তেমন বাধা নেই। তবে চলমান পরিস্থিতির সাথে তালমিলিয়ে আপনাকে প্রস্তুতিসহ এগিয়ে যেতে হবে। আপনার প্রাপ্ত নম্বর যদি ২৫ থেকে ৩৪ এর মধ্যে হয় তবে বুঝতে হবে প্রস্তুতি আংশিক। কিছু বাধা রয়েছে। একটু সময় নিয়ে মানসিকতা পরিবর্তন করে বিয়ে করার কথা ভাবতে হবে। আপনার প্রাপ্ত নম্বর যদি ৩৫ থেকে ৪৪ এর মধ্যে হয় তবে বুঝতে হবে বিয়ের প্রস্তুতিতে এখনও আপনার ব্যাপক বাধা বিদ্যমান। অর্থাৎ আপনি এখনও প্রস্তুত নন। সময় নিন প্রস্তুত হতে।

আমার বিয়ে কবে-জ্যোতিষশাস্ত্র যা বলে

বিয়ে কবে হবে-এ’ বিষয়ে আগাম জানতে অনেকেই জ্যোতিষীদের শরণাপন্ন হন।জ্যোতিষীগণ তাদের অনুসরণীয় জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী জন্মকালীন গ্রহ, নক্ষত্রের অবস্থান বিশ্লেষণ করে কোনো বিশেষ দিনের নির্ঘন্ট জানিয়ে থাকেন। বিয়ের তারিখ তেমনই একটি দিন যা জ্যোতিষীগণ জন্মতারিখ, জন্ম সময় ও জন্ম স্থান দিয়ে যে জন্মছক তৈরী হয় তা থেকে নির্ধারণ করে জানিয়ে থাকেন। জন্ম ছকের সপ্তম ঘরটি হতে বিবাহ সংক্রান্ত গ্রহের অবস্থান, শক্তি ও দৃষ্টি দেখে জ্যোতিষীগণ বিয়ের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেন।

আরো পড়ুনঃ জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহের দিন নির্ধারণে সংখ্যা তত্ত্ব

এ ছাড়াও সংখ্যা তত্ব বা রাশি চক্র অনুযায়ী জ্যোতিষীগণ বিযের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে আগাম জানিয়ে থাকেন। জ্যোতিষশাস্ত্র একটি সম্ভাবনার বিজ্ঞান হলেও অনেকের এর উপর অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। তাই জ্যোতিষীদের করা ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী তাদের বিয়ের নির্ঘন্ট তারা সাজিয়ে থাকে।তবে বিয়ে শুধু জ্যোতিষীগণের ভবিষ্যৎবাণীর উপর নির্ভর করে না। একজন মানুষের বাস্তব প্রস্তুতির উপরও নির্ভর করে।

আমার-বিয়ে-কবে-হবে

আমার বিয়ে কবে-হস্তরেখা যা বলে

আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই এটা জেনে যে হস্তরেখা থেকেও বিয়ে কবে হবে তার সম্ভাব্য তারিখ পাওয়া যায়। হস্তরেখাবিদ্যা অনুযায়ী একজন মানুষের হাতের তালুর নির্দিষ্ট রেখা ও চিহ্ন থেকে তার বিয়ের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে জানা যায়।করতলের কনিষ্ঠ আঙ্গুলের নীচে যে আড়াআড়ি রেখাগুলো রয়েছে সেগুলিই বিয়ের রেখা হিসেবে বিবেচিত।

সাধারণ বিশ্বাস অনুযায়ী, রেখাটি যদি স্পষ্ট, দীর্ঘ এবং সামান্য উঁচু অবস্থায় থাকে, তবে প্রেম ও বিবাহ দুটোই অনুকূল হয় এবং তযুলনামূলক আগে বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা জানিয়ে থাকে। আর রেখাটি যদি অস্পষ্ট ও উপরের দিকে, কনিষ্ঠার কাছাকাছি থাকে, তবে অপেক্ষাকৃত দেরিতে বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা বোঝানো হয়।

আরো পড়ুনঃ জন্মছকে কী কী থাকে

তবে হস্তরেখাবিদরা সবসময় বলেন—হাতের রেখা শুধুমাত্র সম্ভাবনা নির্দেশ করে, নিশ্চিত সময় নির্ধারণ করে না। বাস্তবে বিয়ের সময় নির্ভর করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও পরিবারিক পরিস্থিতির উপর। তাই হস্তরেখা গণনা করে শুধু একটি সম্ভাব্য তারিখ বলা যায়, বাস্তব বিয়ে কবে হবে তা’ একমাত্র নির্ধারণ করতে পারেন আপনি নিজে।

শেষ কথাঃ আমার বিয়ে কবে হবে

প্রিয় পাঠক এই কনটেন্টে বিয়ের সম্ভাব্য সময় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বিয়ের সময় বা তারিখ খুঁজতে গিয়ে এই কনটেন্টটিতে বিভিন্ন টপিক যেমন-বিয়ে কি আল্লাহর নিয়ামত, বিয়ের উপযুক্ত বয়স, বিয়ের বয়স-কেস স্টাডি, জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-বীজ বোনা, জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-অংকুরিত স্বপ্ন, জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-স্বপ্নের মুকুল, জীবন পরিক্রমায় বিয়ে-সময কখন, বিয়েতে কতটা বাধা-নিজেই মূল্যায়ন করুন, আমার বিয়ে কবে-জ্যোতিষশাস্ত্র যা বলে, আমার বিয়ে কবে-হস্তরেখা যা বলে ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।আপনি কি জানতে পেরেছেন কবে সেই দিন?  , 

আসলে জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে বিয়ে সে বিয়ের শুভদিনের জন্য প্রতিটি মানুষ দিনের পর দিন অপেক্ষা করে থাকে। সমযের হিসাব কষে, জ্যোতিষীর কাছে ধর্ণা দিয়ে, হস্ত রেখা মিলিয়ে অথবা পারিবারিক নির্দেশনা মেনে কাঙ্খিত সেই দিনের সম্ভাবনার খোঁজ করেন। কিন্তু কবে, কখন সেই দিনের ঘন্টা বাজবে তার সঠিক উত্তর সুনির্দিষ্টভাবে বলা বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। কারণ বিয়ে নির্ভর জীবনের অনেক বাস্তবতার উপর। 

মানুষের বয়স ক্যালেন্ডারের তারিখ অনুযায়ী কত বছর হলে বিয়ের জন্য উপযুক্ত হবে তা বোধহয় আইন দ্বারা বা সমাজের প্রচলিত রীতি বিশ্লেষণ করে বলা সম্ভব নয়। কেউ বেশী বয়েসে বিয়ে করেও সুখী হতে পারে না। আবার কেউ কম বয়সে বিয়ে করেও সুখের সাগরে ভেসে ভেসে জীবন কাটিয়ে দেন। একে আপনারা কোন সূত্রের গন্ডীতে আবদ্ধ করবেন। মানুষের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মনের প্রস্তুতি, শক্তি অর্জন, সাহসী পদক্ষেপ, পরিপক্ক সিদ্ধান্ত, পূর্ণতা পাবার দৃঢ়তা ইত্যাদি নানা বিষয় যখন মিলে যায় তখনই বিয়ের ফুল ফোটে। এক্ষেত্রে শুধু নিজের উপরও তা’ পুরোপুরি নির্ভর করেনা। বিয়ের জন্য দুজনার মনের মিল, পারিবারিক ঐক্যমত, সামাজিকতার মিলন ইত্যাদিও একান্তভাবে প্রয়োজনীয়। 

তাই মানুষকে বড্ড আগ্রহভরে সেই সুদিনের সুময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। সেই সুদিন আসে সময়ের ডানায় ভর করে। সময় তাকে উড়িয়ে নিয়ে আসে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের বিপত্তি পেরিয়ে। অভিজ্ঞতার ভান্ডার ভরিয়ে সময় প্রস্তুত করে মানুষকে। ঠিক যখন মানুষের মন সঠিক মানুষ খুঁজে পেয়ে নির্দ্বিধায় ‘হ্যাঁ’ বলে দেয়, সব প্রস্তুতি, সব আয়োজন মিলেমিশে এক হয়ে যায়, তখনই বিয়ের সানাই বাজে। সোনালী মুহূর্তের সোনা রঙা সূর্য নতুন জীবনের নতুন ভোরে উদিত হয়।

আশাকরি এই কনটেন্ট পড়ে আপনি কিছুটা হলেও উপকৃত হতে পেরেছেন। এইরূপ তথ্যবহুল কনটেন্ট পড়তে আমাদের সাথে থাকুন। ওয়েব সাইটের সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করে সাইটটি সা্বস্ক্রাইব করুন। তাহলে নতুন কনটেন্ট আপলোড করা হলে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন। ধৈর্য্য সহকারে কনটেন্টটি পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বহুবিধ.কম-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Author Bio

Sanjib Kumar Roy
Engr. Sanjib Kumar Roy
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও বহুবিধ.কম এর এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।